মূল্য জনপ্রতি, সম্পূর্ণ অবস্থানের জন্য— ২৬ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত। এসি ও নন-এসি সব রুমে সংযুক্ত বাথরুম আছে।
তিন দিন
পরিক্রমা কীভাবে এগোবে
01
প্রথম দিন
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র লীলাস্থল দর্শন ও শ্রবণ, এবং শ্রী জগন্নাথ মন্দির দর্শন।
02
দ্বিতীয় দিন
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র লীলাস্থল দর্শন ও শ্রবণ, এবং শ্রী জগন্নাথ মন্দির দর্শন।
03
তৃতীয় দিন
পুরীর গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র স্থান দর্শন করে ২১ কিলোমিটার শ্রী ক্ষেত্র পরিক্রমা পদযাত্রা সম্পূর্ণ করা।
বাংলা তথ্য
বাংলা তথ্য
আয়োজকদের প্রদত্ত বাংলা তথ্য নিচে হুবহু দেওয়া হলো।
ভক্তিবেদান্ত গীতা একাডেমির একটি উদ্যোগ
শত-লক্ষ-গীতা-লেখন-মহা-যজ্ঞ
ইস্কন শ্রীমায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির আয়োজিত একটি বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠান “শত-লক্ষ-গীতা-লেখন-মহা-যজ্ঞ” — লক্ষ লক্ষ ভক্তদের দ্বারা সম্পূর্ণ শ্রীমদ্ভগবদগীতা লেখন। পরাৎপর পরমেশ্বর স্বয়ং ভগবান গোলোকাধিপতি শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫০ তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের আনন্দ বিধানার্থে এক কোটি ভক্তের দ্বারা দু'বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ এই শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা লেখন এবং বৈদিকতাঁরামণ্ডল সমন্বিত মন্দিরে শ্রীশ্রী রাধা-মাধবের শ্রীপাদপদ্মে নিবেদন করার এক সুমহান সুযোগ।
গীতাপ্রেমী ভক্তগণ! সুপ্রিয় শ্রীমদ্ভগবদগীতা প্রেমিকগণ, ভগবদ্গীতার বিষয়ে শ্রবণ ও আলোচনার ধার্মিক অনুশীলন বহু যুগ ধরে অব্যাহত রয়েছে। এখন শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অনুপ্রেরণায়, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের আশীর্বাদে আমরা একটি অভিনব কর্মসূচী শুরু করছি, যেখানে প্রত্যেকে কেবল ভগবদ্গীতা শ্রবণ এবং আলোচনাই করবে এমনটি নয়, কিন্তু ভগবদ্গীতার শ্লোক লিখতেও নিযুক্ত হতে পারে। কলিযুগের বিস্মৃত মানুষের জন্য লেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কলিযুগের পূর্বে সমস্ত বৈদিক জ্ঞান শব্দরূপে গ্রহণ, একাগ্রচিত্তে শ্রবণ এবং আত্মস্থ করার মাধ্যমে অবতরণ করছিল।
কলিযুগ অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে শ্রীল ব্যাসদেব সমস্ত বৈদিক সাহিত্যকে লিখিত আকারে প্রকাশ করে লিপিবদ্ধ প্রক্রিয়ার সূচনা করেছিলেন। আমাদের প্রয়াস হলো ৭০০টি শ্লোকসহ সম্পূর্ণ ভগবদগীতা লেখার কাজে যে কাউকে এবং প্রত্যেককে নিযুক্ত করা। এই পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা সবাই গীতা শিক্ষার সাথে আরও গভীরভাবে সংস্পর্শে নিযুক্ত হতে পারি৷ এই ভক্তিমূলক ক্রিয়াকলাপ মানুষকে আরও মনোযোগের সাথে ভগবদ্গীতার ধ্যান করতে সাহায্য করবে। লেখার সময় আমরা একই সাথে গীতার শ্লোক দেখতে, শ্রবণ করতে, পাঠ করতে এবং লিখতে পারি। সেই লক্ষ্যেই আমরা শুরু করেছি এই অপ্রাকৃত।
“শত-লক্ষ-গীতা-লেখন-মহা-যজ্ঞ” — এক কোটি ভক্তকে সমগ্র ভগবদগীতার সমস্ত শ্লোক লেখায় নিযুক্ত করা, এক বা দুই বছরের মধ্যে লেখাটি সম্পূর্ণ করার ব্রত গ্রহণ করা। প্রতিদিন অনুবাদগুলি পড়ার সময় আমরা সহজেই গীতার একটি বা দুটি শ্লোক লিখতে পারি৷ প্রতিদিন আমরা কয়েকটি শ্লোক লিখতে এবং আবৃত্তি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পারি৷ আমাদের দৈনন্দিন সময়সূচীতে এই কার্যক্রমটি যুক্ত করা অবশ্যই আমাদের জীবনকে মহিমান্বিত, শান্তিপূর্ণ এবং আনন্দময় করে তুলবে। অবশেষে এটি আমাদের জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শুদ্ধ প্রেম লাভ করতে সাহায্য করবে। শত লক্ষ গীতা লেখা মহাযজ্ঞ কর্মসূচির পাশাপাশি আমরা হরিনাম লিখন মহাযজ্ঞ কর্মসূচির সূচনা করেছি।
এই উদ্দেশ্যে প্রদত্ত একটি পৃথক নোটবুকে প্রতিদিন একবার মহামন্ত্র হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে লিখতে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে। গীতা এবং মহামন্ত্র লেখা শেষ করার পর, লেখার নোট বই দুটি বৈদিক প্ল্যানেটারিয়াম (TOVP) মন্দিরে শ্রী শ্রী রাধামাধবকে নিবেদন করা হবে।
আমরা সমস্ত গীতা প্রেমীদের অনুরোধ করছি এই কর্মসূচিতে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করে, গীতা লেখার ব্রত গ্রহণ করে, অন্যদের গীতা লেখার জন্য অনুদান করে, অন্যদেরকে গীতা লেখার ব্রত নিতে অনুপ্রাণিত ও তালিকাভুক্ত করে এবং সমস্ত মানবজাতির মধ্যে এই আয়োজন বর্ধিত করার মাধ্যমে আমাদের সহায়তা করুন।
আপনার নাম বা আপনার পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুদের নাম গীতা লেখা যজ্ঞ এর জন্যে নিবন্ধন করুন। রেজিস্ট্রেশন ফি ৩৩৩ টাকা।
২
গ্রহণ করুন
আপনার ব্যক্তিগত অধ্যয়নের জন্য অনুবাদ এবং সংস্কৃত শ্লোক সহ ভগবদগীতা, প্রতিদিনের লেখার অনুশীলনের জন্য একটি খালি নোট বই, সেইসাথে হরিনাম লেখন নোট বই এবং একটি সংকল্প-সূত্র গ্রহণ করুন।
৩
লিখুন
প্রতিদিন অনুবাদ সহ দুটি শ্লোক পাঠ করুন এবং আপনার সুবিধা অনুসারে একটি বা দুটি শ্লোক লিখতে পারেন। (অনুবাদ লিখতে হবে না) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা শ্লোক লেখার পাশাপাশি হরিনাম লেখনের জন্য প্রদ্যোত পৃথক নোট বইতে একবার করে সম্পূর্ণ হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র লিখতে পারেন।
৪
নিবেদন করুন
ভগবদ্গীতার সমস্ত শ্লোক ও হরিনাম লেখার কাজ শেষ করার পরে, আপনার দুটি নোট বই ইসকন মায়াপুরে মন্দিরে নিয়ে আসুন অথবা ডাকযোগে পাঠান, যা শ্রীশ্রী রাধামাধবের পাদপদ্মে নিবেদন করা হবে।
৫
প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করুন
প্রসাদ হিসেবে আপনার নোটবই লাভ করুন এবং তারসাথে সার্টিফিকেট গ্রহণ করুন। গীতা লেখার বইটি অংশগ্রহণকারী ভক্তরা তাদের নিজের জীবন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্মৃতি হিসাবে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, এবং তারসাথে সার্টিফিকেট এবং শ্রীল গুরুদেব (আপনার নিজ গুরুদেবের) ও শ্রীপাদ জননিবাস প্রভুর স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন। তবে হরিনাম লেখার বইটি মায়াপুরে, টিওভিপি ক্যাম্পাসের একটি গম্বুজের নিচে রাখা হবে।
আমাদের সহযোগিতা করুন
১
সাহায্য / অনুদান
যেহেতু শত লক্ষ গীতা লেখন একটি বিশ্বব্যাপী আয়োজন তাই শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা (Management) এর জন্য আমাদের অনেক বেশি সাহায্য / অনুদান প্রয়োজন।
যেহেতু শত লক্ষ গীতা লেখন একটি বিশ্বব্যাপী আয়োজন তাই অগণিত ভক্ত এই মহিমান্বিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহী হবেন কিন্তু কিছু ভক্ত সম্ভবত নিবন্ধন ফি বহন করতে সক্ষম হবে না। এই কর্মসূচীতে তাদের শুভ অংশগ্রহণের সুবিধার্থে আপনি যত সংখ্যক অংশগ্রহণকারীদের স্পনসর করতে পারেন এবং তাদের এই মহৎ ভক্তিমূলক প্রচেষ্টায় অংশ নিতে সহায়তা করতে পারেন।